Microsoft Windows হল একটি সিস্টেম সফটওয়্যার। যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাইক্রোসফট কোম্পানী কর্তৃক বাজারজাতকৃত। ইহা অত্যন্ত জনপ্রিয় সিস্টেম সফটওয়্যার। এই সফটওয়্যার গ্রাফিক্যাল বা চিত্রভিত্তিক হওয়ায় এর মাধ্যমে অত্যান্ত সহজে পর্দায় দেখে দেখে কাজ করা যায়। তবে MS-Dos (Microsoft Disk Operating System)হচ্ছে বর্ণভিত্তিক। এর মত অত্যন্ত জটিল ও কঠিন নয় যে মুখস্ত করে অর্থ্যাৎ ডসের(Dos) বিভিন্ন কমান্ড দিতে হয় কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন কী টাইপ করে। মাউসের মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের প্রতীকে ক্লিক করে বিভিন্ন মেনুস্থ অপশনে ক্লিক করে
সহজেই কাজ করা যায়। এটি সহজ বিধায় পৃধিবীর সর্বত্র মাইক্রোসফট উইন্ডোজ বিশেষ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। Microsoft Corporation 1985 সালে সর্বপ্রথম এ প্রোগ্রামটি তৈরি করে। ১৯৯০ সালে এর ভার্সন ৩.০ এবং ১৯৯২ সালে ৩.১ ও ৩.১১ ভার্সন বের করা হয়। উইন্ডোজের এ ভার্সণগুলো ডস(Dos) নির্ভর। ১৯৯৫ সালের আগষ্ট মাসে সারা দুনিয়ায় আলোড়ন সৃষ্টি করে আসা Windows 95 একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ অপারেটিং সিস্টেম। এতে সংযুক্ত ইন্টারনেট প্রোগ্রামের মাধ্যমে সারা দুনিয়ায় যোগাযোগ ও তথ্য আহরণ করা যায়। এর পর ১৯৯৮ সালের আগষ্ট মাসে সারা দুনিয়ায় আলোড়ন সৃষ্টি করে আসা Windows 98 । উইন্ডোজের মিলেনিয়াম ভার্সন উইন্ডোজ মি বা উইন্ডোজ ২০০০ বের হয় এবং এর পরেই চকম দিয়ে আসে Windows XP চোখ ধাতানো গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেস, যা কিনা সারা পৃথিবীতে সারা জাগিয়ে সকলের মনকেড়ে নেয়। Windows XP এর কয়েকটি ভার্সন বেরিয়েছে। আগের সমস্ত ভার্সনকে ছাড়িয়ে দুনিয়া কাঁপানো ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টিকারী Windows Vista আতœপ্রকাশ করে। তবে এটি সেটাপ করার জন্য হার্ডডিক্সে জায়গা দরকার হয়ে প্রায় ১১ গিগা বাইট। আর এর জন্য দরকার পরবে হাই কনফিগারেশন মেশিন। তাই খুব অল্পসংখ্যক ব্যক্তিই Windows Vista ব্যবহার করে থাকে। তারপরে বাজারে আসে Windows ৭ এটিও উইন্ডোজ ভিসতার মত হার্ডডিক্সে জায়গার পরিমাণ একটু বেশি প্রয়োজন হবে, সবচেয় বড় যে ব্যপারটা তা হলো উন্ডোজ ভিসতা-৭ এর ব্যবহার একটু ঝামেলা, ঠিক এই কারণে অধিকাংশ ব্যক্তিই Windows XP এর উপর নির্ভর করে আসছে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন